এ কেমন মে-লা?

যখন হয়নি দেখা তোমায়?
তখন ছিলেম অজান্তা।
মানুষের গহবরে জন্ম আমার,
তোমার জন্ম মনে হয় অজান্তে।
কেন না নারী নামের কেলেঙ্কারী।
তুমি মিলেছো অবাধে জঙ্গলে,
না হয় অন্ধকারে কোথাও।
তুমি তোমার সবই দিয়েছো তাকে।
তোমার দু’উরুতে ছিল শত্ব,
তাই তুমি এখান থেকে চলে যাও।
দূর হও তুমি তোমার নিমিত্তে।

Advertisements

বহুমূখী নারী

যে দুঃখ আমি পেয়েছি, তা তুমি জানো নি?
যে স্বপ্ন তুমি দেখিয়ে ছিলে, তা তুমি পারোনি?
যে সময় টুকু আমি চেয়েছিলাম তা তুমি দাওনি?
তোমার সময় ছিল যে, অন্যের জন্যে সে টুকো,
যে টুকো ছিলনা তোমার, আমার জন্যে?
কেন না তুমি ছিলে বহুমূখী প্রেমীলা,
আজ এ, কাল সে, পরশু তুমি অন্যের।
তোমর ধরণিতে ছিল এইচ আই ভি,
তাই সে দিন আমি তোমায় রেখেছিলাম অন্তরালে।
বেশেছিলে ভালো ক’ড়িকে, আমাকে নয়?
তাই সব সময়ই ভয় হয়, সে যেন আমার নয়।
খেয়ালে আর বে-খেয়ালে সে দিন বলে ছিলেম,
তুমি নষ্টা, তুমি স্রষ্টার সেই নিকৃষ্ট নারী।
তাইতো তোমায় প্রচন্ড ঘৃণা করি সন্ধিক্ষনে।

সুরনশ কবি গরু

লালন তুমি কারো শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলে কি?
সূধন বাবু যা তুমি লিখেছো শিক্ষিত হয়ে?
রবি ঠাকুর তুমি যা করেছো বাংলা ভাষায় দিক্ষীত না হয়ে,
কবি গুরু নজরুল তুমি করেছো জাগ্রত মানুষের মন।
জাত-অজাত শরৎ বাবু তুমি ধূয়েছো কায়োস্থ ব্রাম্মনকে।
তোমাদের নিয়ে আমার দুঃখ কি জানো, আমি যা লিখি
তোমরা সবাই তা কেউ না কেউ লিখে গিয়েছো?
তোমরাই বলো কিন্তু তা কেন হবে?
সারী বা পংতি যে টায় লিখি সে টায় যেন মনে হয় তার।
তাই আমি বড্ড বি-বাগে তোমাদের নিয়ে।
সে দিন ছিল না আমার মত তোমার অবসান?
কেন না, অনাহার কষ্ট আর দুঃখ দেখোনি তোমরা?
সে বেলায় ছিলনা অভাব আর যাতনা সেখানে,
এ বেলায় এখানে আছে হরেক রকম নেশাচর,
আরো আছে নানা রকম শুভংকরের ফাঁকী।
ভাববে কি ভাববে না দূরের পথের দিশারী,
তবুও তোমাদের জানায় আমার অকৃতজ্ঞ শ্রদ্ধা

অপকর্ম

সে জুঁতি তুমি অন্ধকারোও আলো ছড়াও,
আমায় সৃষ্টি কর্তার প্রেরণে কোন ভূল ছিল না।
তোমার করুনায় আমি পথ চলি তাই,
তোমাকে ভাবতেই কেপে ওঠে বুকটা।
বেদনায় ভেঙ্গে যায় তোমাকে ভেবে এ মনটা।
যে দিকে তাকাই,
সে দিকেই দেখতে পায় তোমার ভালোবাসা।
তাইতো ব্যার্থ হয়, আমি পথেই বার বার,
ভূলে যায় তোমাকে স্বরণ করতে।
যেখানে থেমে যায় সমস্ত চালন আর কাহন।
সেখানেই আবার তোমাকে খুজে মরি।
জীবন পাথেয় বার বার ভুল আর ভূল,
পারাবার পথ যেন নিজেই বন্ধ করি।
তোমার অগচরে আদৌ-তো কেউ নেই আর,
যত করি অপকর্ম,
ততই করি পাপ-শুধু ভাবি বিথা,
সময়ান্তে করি না সেথা।
পালাবার কোন পথ নেই যেথা-
তাইতো আমি ভাবি বসে-
কি করে পাবো তোমায় কোথা?
তাই আমায় ক্ষমা করো খোদা।

দগ্ধ

পথের মাঝে পথ হারায়,
হারায় মনের মানব।
জীবনের মাঝে জীবন হয় দগ্ধ,
তাইতো অকালে হারায় জীবনের স্বর্গ।
হারাবার পথ কি তার ভয়ে,
আর পারাবার পথ কি সে জানে?
তাই তুমি তো সে নারী,
তার নেই কোন সঠিক দাবী।
স্বার্থের লোভে আর দহ্যিক লোভে তুমি মগ্ন!
তোমার জন্মই ছিল হয়ত কষ্ট।
তোমার মৃত্যু কখন, তা কি কোনদিন জানতে?
অজানাকে জানবার চেয়ে অনুভব করে যাও,
ভেবে চাও সৃষ্টি করেছে কে তোমায়?
সেখানেই তোমার প্রবর্তন অনিবার্য।
তোমাকে ভাবি তোমাকে অনুভব করি,
কেন করি না তোমাকে স্বরণ,
কেন ভাবি না আমার মরণ?
আমি যে অধম তাই।
কেন তোমার করণীয়তে আমার এত অবহেলা।
পৃথিবীর সমস্ত আলোছটায় শক্তি তোমার,
কোনক্রমে কালকে কোন কাজে আসবে না যে,
তা করেই বা কি লাভ তোমার?
অফুরন্ত সৃষ্টি তোমার রূপ যার অনেক।
কিভাবে ডেকে বা পালন করে পাবো তোমায়।
দাও বলে দাও আমায় একবার।
তোমাকে জানায় আমি হাজারও ছালাম।

আমি পাপি।

আমি যখন মদ খাই,
সব কেন ভুলে যায়।
তবু কেন তোমাকে মনে পরে?
তোমাকে কেন ভুলতে পারি না।
তুমি যেন কেমন এক যাদু কর।
ভুলতে পারি না তোমাকে খোদা?
এমতাবস্তায় তোমাকে ডাকার কোন অধিকার,
নেই যে, আমার।
আমি পাপি, তুমি জামিন দার।
তাই তোমার বাসায় ফোন করি,
তোমার বাবাকে উল্টে -পাল্ট বলি?
একি আমার দোষ না কি তোমার দোষ?
সব দোষ যদি আমার হয়,
তাহলে তোমার কি ছিল।
সত্যি আমি তোমাকে ভুলতে পারি না?
কেন?
তোমাকে ভালবেসেছি মনের মত,
কিন্তু তুমি আমায় ভালোবাসনি।
আমি আর পারছি না।
কেন না আমি মদ খেয়েছি
আমার শরীর বেসামাল,
আমি পারছি না,
আমায় ক্ষমা করো প্রভূ,
আমি পাপি,
তাই আমায় ক্ষমা করো।

অন্তিম কামী।

এখানে শান্তি নেই তোমাদের,
যত শান্তি আছে অন্তিমে।
যদি কামাতে পারো দুনিয়াতে।
যার জন্যে তুমি পাগল,
সে তোমার জন্যে নয়।
যার থেকে বিমুখ তুমি,
সে তো তোমা থেকে কখনও বিমুখ নও।
তোমার শত অন্যায় সত্ত্বেও কি?
তুমি কখনও কি না খেয়ে আছো?
সে তো ইচ্ছে করলেই সব পারতো,
তাহলে কেন তা করেন না?
সে ভাববার সময় তোমা কোথা?
দিন যায়, রাত যায়,
বৃথা কাটাও সময়।
না আমি তোমায় ডাকি,
না আমি তোমার দেওয়া কোরান পড়ি?
আমি যে বেজায় পাপি।
আমায় তুমি যদি ক্ষমা না করো,
তাহলে বাচবো কি করে বলো?
তোমার ক্ষমা আর তোমার দয়া,
এ ছাড়া নেই কোন কিছু আমার।
তোমার করুনা ছাড়া নেই নিস্তার।
তোমাকে ডেকে শেষ করা যায় না,
তোমার ভালোবাসার শেষ নেই।
তোমার তো কোন অভাব নেই,
নেই কোন কিছুর অভিমান।
যত অভাব সবই এ বান্দার,
কতনা এরা নাফর-মান।