Category Archives: কবিতা

কি হতো অন্যতে ?

তুমি যে বললে আমায়,অন্য কেউ হলে,
অনেক কিছু হয়ে যেতো,কি হতো যে তাতে,
তোমার ঘাটতি পড়ে যেতো ?এমন কি হতো যে,
তুমি পাগল পাড়ায় না চাইছো ?
আমি যা চাইছি,
তা কি তুমি দিয়েছো মোরে ?
আমি ভব ঘুরে হবো কি তোমার জন্যে ?
তুমি যা বলো তাই যদি হয় তাহলে কি ভয় ?
তোমার আলিঙ্গন আমি চেয়েছি বৈ কি ?
ভালো বাসি বলেই তো চায় তোমাতে ?
যদি বলো চাবে না, চাইবো আমি অন্যতে ।
তখন ভাববে বসে,
আর বলবে আমায় যা ইচ্ছে তাই।
পেরেছো কি দিতে আমায় তোমারই নিমিত্তে।
তোমার নিরঙ্কুস ভালোবাসা বুক বাধে কি আসায় ?
মন ভাঙ্গে হৃদয় কারে তোমার যৌবনের তারুন্যে।
ব্যাথায় সর্বাঙ্গে জ্বালায় শরীর অঙ্গে অঙ্গে।

Advertisements

নারীর ঢঙ।

ও মেয়ে তোর হলুদ রঙের শাড়ী,
তোরে মানায় বড্ড ভারী।
তোর কেন বাড়া-বাড়ী,
তুই যাবি কার বাড়ী ?
ও মেয়ে তোর নাকে নোলক,
পায়ে আলতা, ঠোটে লাল রং,
তোর কেন এত ঢঙ ?
কেমন তোর মন,
তুই ভাংবি কার যৌবন ?
ও মেয়ে তোর কানে দুল,
নাকে ফুল, করছিস না তো ভূল ?
ও মেয়ে তোর হলুদ রঙের শাড়ী,
তোরে মানায় বড্ড ভারী।
তোর কেন বাড়া-বাড়ী,
ও মেয়ে তোর গলায় হার,
পায়ে ক্ষার, হবে এবার কার ?
ও মেয়ে তোর হলুদ রঙের শাড়ী,
তোরে মানায় বড্ড ভারী।
তোর লম্বা লম্বা কেশ,
তোর মনটা ছদ্ম বেশ।
তোর কমর ভাঙ্গে মাজা ভাঙে,
ভাঙে না তো মন।
ও মেয়ে তোর হলুদ রঙের শাড়ী,
তোরে মানায় বড্ড ভারী।
তোর কেন বাড়া-বাড়ী,

নারীর অভিসাপ।

এ সকালে আমি কি জানলাম,
যা আমি ভাবিনি কখনও,
সে যেন কোথায় এক ব্যাদনা,
সহসা যা কাউকে বলা যায় না।
তবুও তো সে তা ঘটিয়েছে,
শুভক্ষনে অ-শুভলগনে শুভ।
তোমাদের বে-মানান আর বে-সামাল,
মেলাতে হয়েছে পরাস্থ সে নারী।
তুই পরাস্থ করেছো তাকে,
সেই তুই বলাদকার করেছো তাকে।
তুই নির্লজ বে-হায়া, বে-সরম,
ধুত্ব তুই নুইচছা,
তুই আমাকে নষ্ট করেসনি,
করেছিস তোর নিজেকে।
তুই মানুষ নামের কলংক।
ইস্বর যেন তোকে বিচার করেন,
তারই ইচ্ছা মতন করে।
তবে তুই পাবি না টের,
যেদিন পাবি সেদিন পস্তাবি।

বে-আনারী নারী

ও সুন্দরী নারী তোমার মনটা কেন ভারি।
তুমি দেখতে বড় বে-আনারি।
তুমি আনায় আনায় ষোল আনা
বার আনায় নেই তোমার।
তুমি যে নারী রাত্রের রাণী ।
তুমি নও তো কোন দিশারী।
কখনও পাথয় পথের সাথী,
কখনও না, অথৈয় নদীর নদীয়া।
তোমার রূপ আছে গুন আছে,
কিন’ নেই তোমার স্বাধীনতা।
তুমি থাকবে আবরণে,
করবে নিবারন পুরুষকে।
তুমি ঢাকবে তোমার শরীরকে,
তুমি মানবে সমাজকে।
না হলে ভাঙ্গবে তোমার অঙ্গ।

তোমার চোখ।

গান
তোমার চোখ দেখে মনে হয়,
কিছু চাইছো তুমি ?
তোমার মুখ দেখে মনে হয়,
কিছু বলবে তুমি ?
কিছু বলবে তুমি ?
তোমার কথা শুনে মনে হয়,
কিছু ঘটেছে তোমার ?
না না না না
না না-না না,
না কিছু ঘটে নি,
না কিছু হয় নি,
তোমার চুল দেখে মনে হয়,
কিছু করেছো তুমি ?
তোমার মুখ দেখে মনে হয়,
কিছু ঘটেছে ।
না কিছু ঘটে নি,
যে টুকো হয়েছে ,
সে টুক ও তোমায় ভালো বেসেছি
না না কিছু হয়নি,
হয়েছে হয়েছে
হয়েছে হয়েছে হয়েছে
ভালো বাসা হয়েছে ।

ও হে পরয়ার

তোমাকে জানাবার কোন ভাষা আমার জানা নেই।
তোমাকে বুঝাবার কোন সাধ্য আমার নেই ।
তুমি মহান তুমিই তামাম জাহানের মালিক।
তোমা থেকে পালাবার কি সাধ্য আছে আমার।
আমায় পাপের নেশায় যখন গ্রাস করে,
তুমি তো পারতে আমায় হাতছানি দিতে?
কেন যেন জানি না তোমার নীলা॥
তোমাকে ভাববার মত সহসা সাহস নেই যার।
পারবো কি না পারবার গ্রীই পার হতে?
ক্ষমা আমায় যদি তুমি না করো তাই-
বে-হাল আর যন্ত্রনা কাঁদায় আমায়।
এ কাঁন্দার শেষ কভূ কি মেলে তাই।

এ কেমন মে-লা?

যখন হয়নি দেখা তোমায়?
তখন ছিলেম অজান্তা।
মানুষের গহবরে জন্ম আমার,
তোমার জন্ম মনে হয় অজান্তে।
কেন না নারী নামের কেলেঙ্কারী।
তুমি মিলেছো অবাধে জঙ্গলে,
না হয় অন্ধকারে কোথাও।
তুমি তোমার সবই দিয়েছো তাকে।
তোমার দু’উরুতে ছিল শত্ব,
তাই তুমি এখান থেকে চলে যাও।
দূর হও তুমি তোমার নিমিত্তে।