রকিবুলের সাহিত্য সমগ্র

অপকর্ম

এপ্রিল 15, 2008 · Leave a Comment

সে জুঁতি তুমি অন্ধকারোও আলো ছড়াও,
আমায় সৃষ্টি কর্তার প্রেরণে কোন ভূল ছিল না।
তোমার করুনায় আমি পথ চলি তাই,
তোমাকে ভাবতেই কেপে ওঠে বুকটা।
বেদনায় ভেঙ্গে যায় তোমাকে ভেবে এ মনটা।
যে দিকে তাকাই,
সে দিকেই দেখতে পায় তোমার ভালোবাসা।
তাইতো ব্যার্থ হয়, আমি পথেই বার বার,
ভূলে যায় তোমাকে স্বরণ করতে।
যেখানে থেমে যায় সমস্ত চালন আর কাহন।
সেখানেই আবার তোমাকে খুজে মরি।
জীবন পাথেয় বার বার ভুল আর ভূল,
পারাবার পথ যেন নিজেই বন্ধ করি।
তোমার অগচরে আদৌ-তো কেউ নেই আর,
যত করি অপকর্ম,
ততই করি পাপ-শুধু ভাবি বিথা,
সময়ান্তে করি না সেথা।
পালাবার কোন পথ নেই যেথা-
তাইতো আমি ভাবি বসে-
কি করে পাবো তোমায় কোথা?
তাই আমায় ক্ষমা করো খোদা।

→ Leave a Commentবিভাগ: কবিতা
Tagged: , , , ,

দগ্ধ

এপ্রিল 14, 2008 · Leave a Comment

পথের মাঝে পথ হারায়,
হারায় মনের মানব।
জীবনের মাঝে জীবন হয় দগ্ধ,
তাইতো অকালে হারায় জীবনের স্বর্গ।
হারাবার পথ কি তার ভয়ে,
আর পারাবার পথ কি সে জানে?
তাই তুমি তো সে নারী,
তার নেই কোন সঠিক দাবী।
স্বার্থের লোভে আর দহ্যিক লোভে তুমি মগ্ন!
তোমার জন্মই ছিল হয়ত কষ্ট।
তোমার মৃত্যু কখন, তা কি কোনদিন জানতে?
অজানাকে জানবার চেয়ে অনুভব করে যাও,
ভেবে চাও সৃষ্টি করেছে কে তোমায়?
সেখানেই তোমার প্রবর্তন অনিবার্য।
তোমাকে ভাবি তোমাকে অনুভব করি,
কেন করি না তোমাকে স্বরণ,
কেন ভাবি না আমার মরণ?
আমি যে অধম তাই।
কেন তোমার করণীয়তে আমার এত অবহেলা।
পৃথিবীর সমস্ত আলোছটায় শক্তি তোমার,
কোনক্রমে কালকে কোন কাজে আসবে না যে,
তা করেই বা কি লাভ তোমার?
অফুরন্ত সৃষ্টি তোমার রূপ যার অনেক।
কিভাবে ডেকে বা পালন করে পাবো তোমায়।
দাও বলে দাও আমায় একবার।
তোমাকে জানায় আমি হাজারও ছালাম।

→ Leave a Commentবিভাগ: কবিতা
Tagged: ,

আমি পাপি।

এপ্রিল 11, 2008 · 3 টি মন্তব্য

আমি যখন মদ খাই,
সব কেন ভুলে যায়।
তবু কেন তোমাকে মনে পরে?
তোমাকে কেন ভুলতে পারি না।
তুমি যেন কেমন এক যাদু কর।
ভুলতে পারি না তোমাকে খোদা?
এমতাবস্তায় তোমাকে ডাকার কোন অধিকার,
নেই যে, আমার।
আমি পাপি, তুমি জামিন দার।
তাই তোমার বাসায় ফোন করি,
তোমার বাবাকে উল্টে -পাল্ট বলি?
একি আমার দোষ না কি তোমার দোষ?
সব দোষ যদি আমার হয়,
তাহলে তোমার কি ছিল।
সত্যি আমি তোমাকে ভুলতে পারি না?
কেন?
তোমাকে ভালবেসেছি মনের মত,
কিন্তু তুমি আমায় ভালোবাসনি।
আমি আর পারছি না।
কেন না আমি মদ খেয়েছি
আমার শরীর বেসামাল,
আমি পারছি না,
আমায় ক্ষমা করো প্রভূ,
আমি পাপি,
তাই আমায় ক্ষমা করো।

→ 3 Commentsবিভাগ: কবিতা

অন্তিম কামী।

এপ্রিল 10, 2008 · ১ টি মন্তব্য

এখানে শান্তি নেই তোমাদের,
যত শান্তি আছে অন্তিমে।
যদি কামাতে পারো দুনিয়াতে।
যার জন্যে তুমি পাগল,
সে তোমার জন্যে নয়।
যার থেকে বিমুখ তুমি,
সে তো তোমা থেকে কখনও বিমুখ নও।
তোমার শত অন্যায় সত্ত্বেও কি?
তুমি কখনও কি না খেয়ে আছো?
সে তো ইচ্ছে করলেই সব পারতো,
তাহলে কেন তা করেন না?
সে ভাববার সময় তোমা কোথা?
দিন যায়, রাত যায়,
বৃথা কাটাও সময়।
না আমি তোমায় ডাকি,
না আমি তোমার দেওয়া কোরান পড়ি?
আমি যে বেজায় পাপি।
আমায় তুমি যদি ক্ষমা না করো,
তাহলে বাচবো কি করে বলো?
তোমার ক্ষমা আর তোমার দয়া,
এ ছাড়া নেই কোন কিছু আমার।
তোমার করুনা ছাড়া নেই নিস্তার।
তোমাকে ডেকে শেষ করা যায় না,
তোমার ভালোবাসার শেষ নেই।
তোমার তো কোন অভাব নেই,
নেই কোন কিছুর অভিমান।
যত অভাব সবই এ বান্দার,
কতনা এরা নাফর-মান।

→ 1 Commentবিভাগ: কবিতা

নীতি

এপ্রিল 9, 2008 · Leave a Comment

এ কোন রাজনীতি?
যার নাই কোন নীতি?
ভাঙ্গছে গাড়ী,
ভাঙ্গছে বাড়ী,
এ কেমন রাজনীতি?
মারছে ডাক্তার,
মারছে ইঞ্জিনিয়ার,
মারছে ছাত্র,
মরছে টোকাই।
এ কোন খেয়ালের রাজনীতি?
যার নেই কোন নীতি?
তার নাম হয় যদি রাজনীতি?
এ রাজনীতি মানি না,
এ রাজনীতি চাই না।
চাই সেই নীতি,
যে নীতিতে দেশাত্ববোধ আছে।
যে নীতিতে দেশকে ভালোবাসা যায়!
তাই আমি ভালোবাসি দেশকে,
আমি ভালোবাসি এ দেশের মানুষকে।
আমি ভয় করি সৃষ্টি কর্তাকে,
আমি ভয় করি পরকালকে,
তাই চাই এমন একটা নীতি,
যেখানে আছে সবার জানবার,
এবং বলবার সমান অধিকার।
আমরা চাই এমনি একটি নীতি।
তাই তো চাই সমরনীতি,
তাই তো আমি চাই শান্তির নীতি।

→ Leave a Commentবিভাগ: কবিতা
Tagged: ,

তিনজনের কবিতা

এপ্রিল 7, 2008 · Leave a Comment

নূর, কবি, মুক্তি
ওরা তিনজন বড্ড বন্ধু শোলভ ব্যাক্তি,
ওরা গঠন মূলক আলোকপাতে বেশ।
দুই নর এক নারী, তার কথা কি বলতে পারি?
তুমি যা বলবে তা কি গঠন মূলক?
আসলে তার যুক্তি তর্ক গঠন মূলক নয়?
এমন কিছু বলো না যাতে ভব্যিষত বংশে শিক্ষার-
কোন আভাষ নেই।
তুমি বসলেই লিখতে পার, আমি তো কলম বিহীন-
অগাছা।
দাও না হাত বাড়িয়ে কলম ও পাবে সাথে কাগজ।
এটা তো কোন কবিতা না “ভন্ডামি”।
আদম ভন্ডামি করেই শাস্তি পেয়েছিল।
শোন হে তিন মনা!
গা তোরা শানি-র গান।
শানি- নেই শানি- নেই,
শানি-র মা গেছে মরে।
তাহলে কেমনে বাঁচি।
এক দুই তিন-
তিনের শুভেচ্ছা নিন।
এক গুচ্ছ জীবনের ভুল।
তোমরা আসলেই নরপিচাস।
তুমি তো কোথাও ক্ষত হয়েছো?
একি শুভেচ্ছা, না কি ভোজনের লাচ্ছা?
ধুত, তোমার মাথায় বুদ্ধি নেই।
আর কত তোমায় বুঝাবো।
কবি তুমি কেন বলো না কিছূ?
তোমার মধ্যে তো অনেক প্রতিভা!
মুক্তি তুমি তো গায়তে পারতে-
জয় ও গান।
বলিতে চাহি যাহা, শুনিলে করিবে আহ্।
কিই বা বলবে তুমি?
বলার মাঝে অনেক কিছু না বলার থেকে যায়।
কবি ঠেলে মুক্তি কিছু বলো?
নূরও তাই বলে, কিন্তু সে বলে না।
কেন?
তাহার মনে বড্ড কষ্ট তাই।

→ Leave a Commentবিভাগ: কবিতা
Tagged:

তোমার কথা মনে করে।

এপ্রিল 6, 2008 · 2 টি মন্তব্য

তোমার কথা মনে করে শুধুই ভাবি,
এ ভাবা যেন আমার শেষ না হয়,
তুমি জানো না, তুমি মানো না,
আমি মানি না,আমি জানি না,
রাত্রে জাগি মিছে ভাবি,
মিছে শুধু কাঁদি।
তোমার ঐ পাষান হৃদয়ে ভাবে না তাই।
তোমার জীবন মাঝে এত অহংকার,
তোমার ঐ অহংকার তোমার ঐ লোভ,
করেছে তোমার জীবন পাথয় অনেক ভূল।

→ 2 Commentsবিভাগ: কবিতা

১৪১২ সাল।

এপ্রিল 5, 2008 · ১ টি মন্তব্য

গুড়ি গুড়ি করে চলে যায় সে,
হাটি হাটি করে আসে এক,
তোমাদের আসা-যাওয়ার মাঝে,
কারো রয়ে যায় বেদনা-
কারো রয়ে যায় প্রিয়জন হারার যাতনা।
তুমি যাবে বলে এসেছিলে কি?
তোমাকে ধরে রাখবার মত সহসা নেই যার।
কত দিন চলে যায়,
যায় যত সপ্তাহ,
চলে যাচ্ছে কত মাস,
শেষ হচ্ছে বছর বার মাস।
তবুও মেটে না ভালোবাসার অবসান,
এ কেমন জীবন যার,
মানে না বার্ধক্য জীবন-
ঘটিয়ে বসে বিয়ের আসর।
নাহি লাজ নাহি তার পিছু টান-
বাধবে সে বাসর ঘর।
কখন ভাঙ্গে কখন গড়ে জীবনের খেলা ঘর।
বৈশাখের ঝড় হাওয়াতে প্রিয় তুমি,
জৈষ্ঠ্যেতে রঙ্গ-রসের বাহনা তোমার।
আষাঢ়ে বৃষ্টি ভেজা সখ যে তোমার,
শ্রাবণে শ্রাবনি- হয়ে এসো কাছে,
ভাদ্রেতে ভাবাবে বসে ঘরের কোণে,
আশ্বিনে আশার বাণি শোনাবে কাছে বসে,
কার্ত্তিকে বুক চেড়া কান্না তার?
অগ্রহায়নে চিড়া-মুড়ি শুকনা মিঠা।
পৌষে ভিজা পিঠা খাওয়াবে আমায়!
মাঘের শীতে তুমি আমাতে হারাবে।
ফালগুনে ফাগুনের মত উড়বে তুমি।
চৈত্র্যে চৈতি হাওয়ায় কারবে সে আমায়।
তোমারই ভালোবাসায় হাসি আমার,
মুক্তি তোমার যত যুক্তি,
পারবে কি তুমি আমায় থামাতে।
ভালো যতি বেসে থাকো হারাতে দিও না তো আর?
যদি কারোর কাছে যেতেই হয়,
তাহলে তোমার প্রাণে চাহিব না আর-
দেখাবো না তোমাকে এ মুখ,
তব ক্ষমা করে দিও মোরে।

→ 1 Commentবিভাগ: কবিতা
Tagged:

মা তুমিই বলে দাও।

এপ্রিল 4, 2008 · ১ টি মন্তব্য

মা তোমাকে আমি শ্রদ্ধা করি,
বাবা তোমাকেও আমি শ্রদ্ধা করি।
মা তুমিই বলে দাও কি মোদের পরিচয়?
মা তুমিই জানো আর তিনিই জানেন-
কে আমি, কে মোর বাবা?
মা তুমি যাকে বাবা বলে ডাকালে-
মা তাকেই আমি বাবা ডাকি।
মা তুমি তো বলেছিলে রব আল্লাহ্ এক-
মা কেন আমাতে তার ছন্দ নেই-
মা কেন আমাতে এত দন্ধ।
মা আমি পাপী-
মা যাকে চিনি নে জানি নে-
সে যে আমার বাবা-
তাতে কোন সন্ধেহ নেই-
তা তো-তুমিই শিখিয়েছিলে।
“ইলাহ্ এক অদ্বতীয়-
তার কোন শরীক নেই।
মা তুমি তো এও শিক্ষা দিয়েছিলে-
কোনদিন কারোর ক্ষতি করো না-
কোন অন্যায় করো না-
কোন অবধ্য ইনকাম করো না।
মা তুমি তো চেষ্টা করেছিলে-
আমার সন্তান যেন ভাল থাকে।
“তোমাদের ভালবাসা”
জীবন যোদ্ধে-
আজ আমি বার বার স্বরণ করি।
মা আসলে কি আমি তোমার যোগ্য সন্তান?
তোমার কথা মনে পড়লে আতকে উঠে এ হৃদয়-
তোমাকে কি দিয়ে ভালবাসবো বলো না?
তুমি স্বার্থনেষি নও-
তুমি কোন অর্থ লোভি নও-
তবু তোমাকে ভালবাসতে পারিনি মনের মত করে।
এ মন কাঁদে তোমার জন্য বাবার জন্যে-
কি করে তোমাদের ভালবাসা ফিরিয়ে পায়?
দাও বলে দাও তুমি আমারে।
জানি কোন জনমে কেউ-
তোমাদের মত ভালবাসবে না আমায়?
তবে তোমাদের চাইতেও বেশী ভালবাসেন যিনি-
তিনি যে তোমাদেরকেও সম ভালবাসেন-
তিনি হলেন তোমার আমার মহান।
তাই আমার কোন ভুল-
তুমি ভুল না ভেবে-
ক্ষমা করেই গেছো সারাটি জীবন।
তোমাকে যে কি করে বোঝায়-
তোমাকে যে কোথায় রাখি।
মা আমাকে তুমি দোয়া করো,
মা আমাকে তুমি ক্ষমা করো।
মা তুমি বিনে বড় অসহায়-
মা তোমার ভালবাসায় কোন খাদ ছিলো না-
খাদ ছিলো যা আমার মাঝে।
এ নয়নে জল ঝড়ে-
এ নয়নেই পাপ করে-
এ নয়নই পথিককে পথ দেখায়-
এ নয়ন দিয়ে তো পড়ার কথা ছিল-
এ নয়ন দিয়ে তো দেখার কথা ছিল-
সে নয়নে কেন আজ নীল খোজে
“সে তো ইচ্ছা করলেই আমার দৃষ্টি কেরে নিতে পারত”
এ উচাটন মন কি পারবে বলে দিতে?
সকাল,দুপুর,বিকেল,সন্ধ্যা আর রাত্র-তে
এ সময়ে কোন কিছু বাদ দিলে কি?
বাদ দিয়েছো তো দিয়েছো-
তারই আবার তান্ডব মেলা।
যে রাত তোমাকে দিয়েছিল-
সে রাতকে আমি হেলায় কাটায়-
কখনও খেলায়, না হলে পাপে-
রাতকে ভালবাসতে শিখিনি-
শিখিনি তাকে ডাকতে।
মা তুমি বলে দাও আবার আমায়!
কোথায় গেলে পাবো তারে?
নিয়ে যেতে চায় তোমাদের ও সঙ্গে করে-
যেখানে পাবো মহানকে-
যেখানে পাবো সেই “রাসুলকে”
স্বরণ করিয়ে দাও তোমাদের ভালবাসা-

→ 1 Commentবিভাগ: কবিতা

পারাবার পথ কি মেলে?

এপ্রিল 3, 2008 · ১ টি মন্তব্য

যেখানে কেউ নেই,
সেখানেই তিনি জামেনি,
যাকে চিনলে না,
তাকে বুঝলে না,
তোমার হৃদয়ে তার কাহন নেই।
তোমার শানে আছেন যিনি,
তুমি নাই তাহার শানে।
তোমাদের কত যুক্তি,
কত সন্ধীহান,
নেই জানবার অবসান।
আত্বকেন্দ্রিক জীবন যাদের,
নির্ভয়ে পথ চলতে পারে না সে?
যেখানে যায় সেখানে হারে,
ভাবে বসে নির্বাক হয়ে,
অতীত দিনের কথা গুলো।
ভুলে ভুলেই ছিল জীবন তার,
ভেবে কষ্ট-কেদে দুঃখ,
আখিঁ জলেতে ভরপুর,
ভেবে পাইনা সে আর,
সময় নেই তো হাতে তার,
সময় এসেছে পরপারে যাবার।
ক্ষমার জন্যে খোজে তারে,
অবশেষে মেলে না যার,
ক্ষমা নিতে পারলে না তাই,
অবশেষে বুঝা হলো তাই,
তুমি নাহি বিনে কে আমার?
আমাতে তুমি চির-জাগ্রত,
তোমাতে কেন আমি অলস।
তুমি বলেছো ক্ষমা করবে,
তাই তো তোমার কাছে,
বার বার আমার অনুসূচনা,
তুমি দিলে দাও কলব আমার।
তোমাকে জানায়-
আসসালামু আসসালামু।
তোমাকে জানায় হাজরও সালাম,
যেতে না যেতেই শুরু বিচার যার।
দু’দিনের দুনিয়াতে কি ছিলো তোমার?
যা ছিল তা তো তোমার নয়?
জানতেম সবে,
জেনেও রংচং এ জীবন যার,
তুমি জানো কি?
মিহির যখন আলো ছড়ায়
তার কত মহিমা!
তোমার তো গুন নাই,
তাতেই তোমাতে অহংকার,
অহংকার তারই, গর্ব যার।
তিনিই হলেন মহান!
তাই ভুলেও তুমি গর্ব করো না-
তুমি অহংকার করো না-
তুমি খর্ব করো না তাই নিজেকে।
তুমি যা ভাবো-
তুমি যা চিন্তা করো-
তুমি যা জানো না,
তিনি তা জানে-
তুমি যা করো-
তিনি তা লিপিতে রেখেছেন-
কাল তোমাকে এবং আমাকে দিবেন-
যার প্রতিশ্রুতি তিনি করেছেন।
তোমার নামে কত কাহন,
যপে যে সর্ব সাধন,
মেলায় সেখানে শানি-র পরশ।
তোমাকে চিনতে কেন এত ভুল?
কেন আমি স্বার্থনেষি,
পারাবার কোন পথ নেই তাই?
দূর্বল এ বিশ্বাস নিয়ে তোমাকে ভাবি শুধু-
পারাবার কি কোন পথিক মিলে?
পথিক যদি না মেলে?
ক্ষমা করে নিও তাই-
তুমি আত্বসর্মপন কারীদেরকে-
সেই দল গুলোকে।
তোমাকে জানায় শেষবারের মত-
হাজার ও লাক্ষ আসসালামু আসসালাম-
ইয়া হাব্বিল্লাহ্-
ইয়া রাসূল আল্লাহ্।

→ 1 Commentবিভাগ: কবিতা