গুড়ি গুড়ি করে চলে যায় সে,
হাটি হাটি করে আসে এক,
তোমাদের আসা-যাওয়ার মাঝে,
কারো রয়ে যায় বেদনা-
কারো রয়ে যায় প্রিয়জন হারার যাতনা।
তুমি যাবে বলে এসেছিলে কি?
তোমাকে ধরে রাখবার মত সহসা নেই যার।
কত দিন চলে যায়,
যায় যত সপ্তাহ,
চলে যাচ্ছে কত মাস,
শেষ হচ্ছে বছর বার মাস।
তবুও মেটে না ভালোবাসার অবসান,
এ কেমন জীবন যার,
মানে না বার্ধক্য জীবন-
ঘটিয়ে বসে বিয়ের আসর।
নাহি লাজ নাহি তার পিছু টান-
বাধবে সে বাসর ঘর।
কখন ভাঙ্গে কখন গড়ে জীবনের খেলা ঘর।
বৈশাখের ঝড় হাওয়াতে প্রিয় তুমি,
জৈষ্ঠ্যেতে রঙ্গ-রসের বাহনা তোমার।
আষাঢ়ে বৃষ্টি ভেজা সখ যে তোমার,
শ্রাবণে শ্রাবনি- হয়ে এসো কাছে,
ভাদ্রেতে ভাবাবে বসে ঘরের কোণে,
আশ্বিনে আশার বাণি শোনাবে কাছে বসে,
কার্ত্তিকে বুক চেড়া কান্না তার?
অগ্রহায়নে চিড়া-মুড়ি শুকনা মিঠা।
পৌষে ভিজা পিঠা খাওয়াবে আমায়!
মাঘের শীতে তুমি আমাতে হারাবে।
ফালগুনে ফাগুনের মত উড়বে তুমি।
চৈত্র্যে চৈতি হাওয়ায় কারবে সে আমায়।
তোমারই ভালোবাসায় হাসি আমার,
মুক্তি তোমার যত যুক্তি,
পারবে কি তুমি আমায় থামাতে।
ভালো যতি বেসে থাকো হারাতে দিও না তো আর?
যদি কারোর কাছে যেতেই হয়,
তাহলে তোমার প্রাণে চাহিব না আর-
দেখাবো না তোমাকে এ মুখ,
তব ক্ষমা করে দিও মোরে।